অনলাইনে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার নির্ভরযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান।

লিচুর যত পুষ্টিগুন ।

লিচুর উপকারিতা জেনে নিন ।

0

লিচু ভালবাসে না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর । গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন রসাল ফলের মধ্যে লিচু একটি অন্যতম ফল । অত্যন্ত কম সময়ের জন্য এই রসাল ফলটি আমরা পাই। লিচু চাষীরা ভালো দামে লিচু বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে । বর্তমানে লিচু চাষ একটি বাণিজ্যিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে । অনেকেই লিচু চাষ করে সাবলম্বী হচ্ছে । কিন্তু শহর-নগরের গরিব-দুঃখী ও ফলের স্বাদ গ্রহণ করে থাকে । কারণ লিচু এখন সূলভ মূল্যে পাওয়া যায় । লিচু দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি স্বাদে গন্ধেও অসাধারন। আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, লিচু আমাদের দেশীও ফল নয়। সদূর চীন থেকে এক সময় লিচু আসে আমাদের দেশে।

লিচু চারা ও কলম দু’ভাবেই চাষ করা যায়। বিশাল বট গাছের মতো বড় গাছ হয় লিচুর। তবে চারা বা কলম যেভাবেই রোপন করা হোক লিচু ধরতে বেশ সময় লাগে। তবে কলমের গাছে তাড়াতাড়ি ফল আসে। চারা রোপন করলে লিচু ধরতে ১০-১৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়। বাংলাদেশে মোটামোটি সব জায়গায় লিচুর চাষ হয়। তবে মাটির গুণে ভালো হয় রাজশাহী, দিনাজপুর ও বগুড়া,পাবনা তথা সমগ্র উত্তরবঙ্গে। লিচু বিভিন্ন জাতের বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন- মাদ্রাজি, বোম্বাই, চায়না, বেদানা, মঙ্গলবাড়ি ইত্যাদি জাতের লিচুর চাষ হয়ে থাকে উত্তরবঙ্গে।

আসুন জেনে নিই রিচুর পুষ্টিগুন সম্পর্কে : প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে আছে- শর্করা ১৩.০৬ গ্রাম, ক্যালরি ৬৬ গ্রাম,কার্বোহাইড্রেট ১৬.৫৩ গ্রাম,খাদ্য আঁশ ১.০৩ গ্রাম,ফোলেট ১৪ মাইক্রোগ্রাম,সোডিয়াম ১ গ্রাম,পটাসিয়াম ১৭১ মি: গ্রাম,ক্যালসিয়াম ৫ মি:গ্রাম,লৌহ ০.৩১ মি:গ্রাম,ফসফরাস ৩১ মি:গ্রাম,ভিটামিন-সি ৩১ মি:গ্রাম।

লিচু অত্যন্ত আমিষ সমৃদ্ধ একটি ফল। তবে জলীয় অংশ সর্বাপেক্ষা অধিক। লিচুতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি রয়েছে । এ ছাড়া লিচুতে রয়েছে খনিজ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, লোহা, ক্যালসিয়াম, চর্বি ইত্যাদি। লিচু একসাথে আট থেকে দশটির বেশি খাওয়া উচিত নয়। লিচু বেশি খেলে বদহজম হতে পারে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই লিচু খেতে পারে। তবে উপকার পেতে হলে পরিমিত লিচু খেতে হবে। শিশুর হাড় গঠনে লিচু অবদান রাখে । শরীরে লোহিতকণিকা গঠন করতে সহায়তা করে লিচু।

বেশি বেশি হেলথ টিপস পেতে ভিজিট করুন ডক্টর বার্তা ডট কম ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.