অনলাইনে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার নির্ভরযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান।

ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে পেয়ারা ।

ডায়বেটিস ও উচ্চরক্তচাপ যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করে পেয়ারা ।

0

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পেয়ারা : পেয়ারা খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে কারণ পেয়ারাতে ফাইবার ও কম গ্লইসেমিক ইনডেস্ক থাকার ফলে এ সুস্বাদু ফল ফেলে রক্তে শর্করার পরিমান নিয়ন্ত্রণ থাকে । যার ফলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে । তাই সস্তা দেশী ফল পেয়ারা যত পারেন তত খান ।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা : পেয়ারা দেহের সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বাড়াতে সাহায্য করে ফলে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ হয় ।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পেয়ারা : পেয়ারাতে রয়েছে লাইকোপেন,কোয়ারকেটিন,ভিটামিন সি ও পলিফেনল রয়েছে যা অতন্ত শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে । এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে । ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার কমাতে সাহায্য করে পেয়ারা । তাই বেশি বেশি পেয়ারা খান মরণ ব্যাধি ক্যান্সার থেকে নিজেকে বাঁচান ।
গর্ভবর্তী মায়ের জন্য পেয়ারা : পেয়ারার ফলিক এসিড গর্ভবর্তী মায়ের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল । ফলিক এসিড গর্ভের বচ্চার নার্ভাস সিস্টেমকে উন্নত করতে সাহায্য করে থাকে । সেই সংগে পেয়ারা শিশুদের নিউরোলজিক ডিজঅর্ডার দূরে রাখতে সাহায্য করে থাকে ।

পেয়ারা হার্টের সমস্যা দূর করে : পেয়ারা ট্রাইগ্লিসারাইড ও এলডিএল নামক খারাপ চর্বির মাত্র কমায় । যার ফলে হার্টর বিভিন্ন ধরনের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায় । পেয়ারা এইচডিএল নামক চর্বির মাত্র বাড়ায় যা হার্টকে সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করে ।

পেয়ারা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে :  পেয়ারা হলো একটি ফাইবার জাতীয় ফল । তাই পেয়ারা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য সহজেই দূর হয়ে থাকে ।

পেয়ারা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে : পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ যা চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহযোগিতা করে । এছাড়ও চোখের ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে সবার পছন্দের সু-স্বাদু এ ফল ।

ওজন কমাতে পেয়ারা : পেয়ারাতে গ্লুকোজের পরিমান কম থাকে এ কারনে পেয়ারা ওজন কমাতে খুবই ভাল প্রতিষেধক হিসোবে কাজ করে থাকে ।

মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালনে পেয়ারা : পেয়ারাতে রয়েছে ভিটামিন বি-৩ ও ভিটামিন বি-৬ মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চালন ভাল রাখতে সহযোগিতা করে পেয়ারা।

কর্মশক্তি বাড়াতে পেয়ারা : পেয়ারার ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশী ও স্নায়ু সতেজ রাখতে সহযোগিতা করে । যার ফলে কাজ শেষে ও প্রচুর কাজের চাপের মধ্যে পেয়ারা খেলে কর্মশক্তি তারাতারি বেড়ে যায় ।

রোগ-প্রতিরোধে পেয়ারা : পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি । যা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে থাকে ।

পেয়ারার পাতায় রোগ সংক্রমণ দূর হয় : পেয়ারার পাতায় আছে এন্টি-ইনফ্লামেটরি গুন ও শক্তিশালী এন্টিব্যাক্টিরিয়াল ক্ষমতা যা ইনফেকশনের সংগে যুদ্ধ করে জীবানু ধ্বংস করে । পেয়ারার পাতা দাঁতরে ব্যাথার জন্য খুবই ভাল একটি ঔষুধ যা ঘরে বসেই খুব সহজেই দূর করা যায় ।

পেয়ারা গুনের কথা কে না জানে । পেয়ারা পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুবই দূস্কর । পেয়ারা প্রতিটি মানুষের প্রিয় একটি ফল । এ ফল কম বেশি প্রতিটি মানুষের বাড়িতে রয়েছে । বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ভাবে পেয়ারা খেতে পছন্দ করে । কেউ কাঁচা পেয়ারা মরিচ ও লবণ দিয়ে খেতে পছন্দ করে । অনেকে পেয়ারার জেলি ও মোরব্বা পছন্দ করেন । কারণ ফরটির রয়েছে অবিশ্বাস্য সব গুন । জানলে অবাক হবেন সবাই ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিন-সি থাকে,যা কমলালেবুর তুলনায় পাঁচগুন বেশি । তাই বেশি বেশি পেয়ারা খান নিজেকে সুস্থ্য রাখুন ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.