অনলাইনে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার নির্ভরযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান।

গরমে হিট স্ট্রোক থেকে যেভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন ।

গরমে হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা পেতে করণীয় ।

0

অতিরিক্ত গরমের কারনে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় । এটি একটি বেশেষ ধরনের হাইপারথারমিয়া । মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট । এটি ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের চেয়ে বেশি হলেই হিট স্ট্রোক হতে পারে । একে সান স্ট্রোক,থার্মিক ফিভার,সিরিয়াসিস নামেও অবিহিত করা হয় । মারাত্মক গরমের কারনে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেলে হিট স্ট্রোক দেখা দেয় ।

হিট স্ট্রোক থেকে মানুষ পঙ্গু হয়ে যেতে পারে এমন কি সময়মত সু-চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । এ সমস্যার তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পেলে রোগী মৃত্যু পর্যন্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে ।

হিট স্ট্রোকের প্রধান কারন পানি শূন্যতা । প্রচন্ড গরমে দেহে পানির পরিমান কমে যেতে পারে । এ ধরনের পানি শূন্যতা এড়াতে সতর্কতা প্রয়োজন । অতিরিক্ত গরমের সময় ভারি পরিশ্রমের কাজ না করাই ভাল ।

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে প্রথমে রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে ছায়ায় রাখতে হবে । শরীরের ভারি কাপর খুলে ডান্ডা পানি ঢালতে হবে । সম্ভব হলে রোগীকে ফ্যানের নিচে অথবা শীততাপ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নিতে হবে । থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাফতে হবে । ১০১ থেকে ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইটে নেমে না আসা পর্যন্ত তাকে ডান্ডা দেওয়া অব্যাহত রাখতে হবে ।

গরমের সময় শরীরকে পানি শূন্য হতে দেওয়া যাবে না। যেহেতু পানি শূন্যতা থেকেই হিট স্ট্রোক হয় ।তাই গরমে প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে । পানির পাশাপাশি ওরাল স্যালাইন,ডাবের পানি, কাঁচা আমের ঘরে তৈরি জুস,লেবু,বেল,তরমুজের শরবত পান করতে হবে ।

শরীরের তাপমাত্রা অসহনীয় অবস্থায় চলে গেলে যেসব জটিলতা দেখা যায় সেগুলোই হিটস্ট্রোকের লক্ষণ । যেমন মাথা ঝিম ঝিম করা,বমি করা,অবসাদ,মাথাব্যাথা,মাংসপেশির খিচুনী ও চোখে ঝাপসা দেখা ।

 

 

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.