অনলাইনে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার নির্ভরযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান।

মরণব্যাধি ডেঙ্গু-র হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক ও চিকিৎসা !

ডেঙ্গু-র হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক ।

0

ডেঙ্গু-র  হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক ও চিকিৎসা সম্পর্কে ব্যাখা দিলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা । জনস্বার্থে সেটি নিচে তুলে ধরা হলো :

প্রথম : হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক : রাস টক্স ২০০ (Rhus Tox 200 B.T./German) : বর্ষাকালে জলবাহিত তাবৎ রোগের প্রথম প্রতিষেধকও এই ওষুধ। ভালো হোমিওপ্যাথিক দোকান থেকে ১০ বা ২০ নম্বর বড়িতে ছোট এক শিশি কিনুন।

যেভাবে সেবন করবেন :
ক. সকালে দাঁত না মেজে পরিষ্কার পানি দিয়ে একবার ভালো করে কুলি করুন।
খ. তারপর ৫টি বড়ি সরাসরি শিশি থেকে মুখে নিন। দুএকটা বড়ি কম-বেশি হলে ক্ষতি নেই।
গ. তারপর কমপক্ষে আধ ঘন্টা মুখ বন্ধ রাখুন, কিছু খাবেন না। দাঁত মাজবেন এক ঘন্টা পরে।
ঘ. পর পর তিন দিন সকালে একই ভাবে সেবন করুন।
ঙ. বাড়ির সকল সদস্য (ছোট-বড়) সেবন করুন। পরিমাণ একই রকম।
চ. প্রথম তিন দিন সেবনের দেড় সপ্তাহ পর আবার তিনদিন সেবন করা যেতে পারে।
ছ. সুস্পষ্ট লক্ষণ ছাড়া আর কোনো ওষুধ প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

দ্বিতীয়. রোগীর চিকিৎসা : যাঁরা ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসা হবে লক্ষণ অনুসারে। এ-ক্ষেত্রে লক্ষণ সংগ্রহ করে রাস টক্সের সঙ্গে যে-সব ওষুধ বিশেষভাবে আসতে পারে সেগুলো হলো :
ক. ব্রাইওনিয়া ২০০ বিটি/ জার্মান (পিপাসা, শরীরে ব্যথা নড়াচড়ায় বাড়ে)
খ. জেলসিমিয়াম ২০০ বিটি/ জার্মান ( রোগী নিস্তেজ, পিপাসাহীন ও ঘাড়সহ মাথা ব্যথা)
গ. ইউপোটেরিয়াম পারফো ২০০ বিটি/ জার্মান (হাড় ও জয়েন্টে প্রচণ্ড কামড়ানি ব্যথা থাকলে। কেউ কেউ এই ওষুধকে প্রতিষেক মনে করেন। তবে সুষ্পষ্ট লক্ষণ ছাড়া এই ওষুধ ব্যবহার করা যায় না। )
ঘ. মিলেফোলিয়াম ২০০ বিটি/ জার্মান (রক্তস্রাব শুরু হলে)
ঙ. কার্বো ভেজ ২০০ বিটি/ জার্মান (এই ওষুধে কমে যাওয়া প্লাটিলেট দ্রুত বাড়ে)
চ. আর্সেনিক অ্যালবাম ২০০ ২০০ বিটি/ জার্মান (প্রচণ্ড অস্থিরতা, পিপাসা, মৃত্যুভয়)
ছ. ভিরেট্রাম অ্যালবাম ২০০ বিটি/ জার্মান (রোগীর শরীর অবশ ও ঠাণ্ডা হয়ে আসা, রোগীর অন্তিম অবস্থা)
জ. অন্য যে কোনো ওষুধ (লক্ষণ অনুসারে)
ঝ. আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শেই কেবল উপরে বর্ণিত ওষুধ দেয়া যাবে।

তৃতীয় : বিশেষ পরামর্শ : সতর্কতা হিসেবে পায়ের পাতা থেকে হাঁটুর ওপর অবধি নারকেল তেল মালিশ করলে সেখানে এডিস মশা বসে না। শয়নকালে সারা শরীরেই নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। উপরন্তু মশারি ব্যবহারও অত্যাবশ্যক।

চতুর্থ : সতর্কতা ও সুচিকিৎসায় এই ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।

মুহম্মদ নূরুল হুদা- বিশিষ্ঠ কবির ফেসবুক থেকে সংগৃহিত ।
০৫.০৮.২০১৯

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.